Errors in BCS exam papers
Wasim Bin Habib
Errors and inconsistencies have crept into a set of question papers for a preliminary test, designed for examSaturday, inees to qualify for the 30th Bangladesh Civil Service exams.
There were three sets of question papers, but more than half of the queries in the English section of Set-2 were misplaced, which created confusion among examinees.
The test was held at 110 centres in six divisional headquarters with about 147,988 applicants vying for 2,572 posts under three cadres yesterday.
Some questions in the set, codenamed Makar, had wrongly been put below the answers. The English section in each set has 20 questions.
A number of examinees, who got set-2, said many did not answer some questions — out of confusion — since there is a negative marking for any wrong answer.
However, no such error was found in the other two sets.
The question 79 of the set 2 asked for an opposite meaning of “amicable”, but none of the answers listed in the sheet best fits the question. The options were: (A) interesting (B) loving (C) affectionate and (D) friendly.
The same word was mentioned in Set-1 and 3 asking for synonyms with the same options.
In another instance, the instruction was not clear for the examinees on how to choose the best answer to the question No. 63. It appears that an instruction was written between questions 63 and 64.
Confusion also surfaced over choosing the closest meanings of idioms as the instruction for a series of questions — 67, 68, 69 and 70 — was wrongly placed.
“When I was about to answer questions in the English section, I found some questions misplaced. I did not know what to do,” said Farid Uddin, a candidate who took the test at Eden Girls’ College.
“We had only an hour to answer 100 multiple-choice questions. I spent most of the time thinking about the answers in the English section,” he said.
“This type of errors in such an important examination is unexpected. I was utterly confused while answering the questions in the English section,” said Pankaj Karmaker, a student of Dhaka University.
In the general knowledge section, the correct answer was not there in the four options for the question about the formation of Red Cross.
The Public Service Commission that organises the text sits on Sunday to find out whether there was any inconsistency in the question paper, said Examination Controller AEM Nesar Uddin.
The experts and moderators, who prepared the papers, will be present at the meeting, he said.
The decision will go in favour of the candidates, if the commission finds any consistency in the question paper, he added
বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা
প্রশ্নপত্রে ভুল নির্দেশনা, অসংগতির অভিযোগ
শরিফুল হাসান | তারিখ: ৩১-০৭-২০১০
৩০তম বিসিএসের প্রাথমিক বাছাই (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে বেশ কয়েকটি ভুল ও অসংগতির অভিযোগ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। বিশেষ করে ২ নম্বর সেটে ইংরেজির প্রায় সব প্রশ্নেই নির্দেশনায় ভুল ছিল। সেটভেদে ইংরেজির অনেক প্রশ্ন ভিন্নও হয়েছে। এ ছাড়া ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানের কয়েকটি প্রশ্নে সঠিক উত্তর ছিল না। ফলে পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রার্থীরা।
গতকাল শুক্রবার ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট শহরের মোট ১১০টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা হয়। এর মধ্যে ঢাকায় কেন্দ্র ছিল ৬৮টি। এবার পরীক্ষা হয়েছে মকর কোডে।
পরীক্ষা শেষে এক প্রার্থী সালমা আকরাম প্রথম আলোর কাছে অভিযোগ করেন, ২ নম্বর সেটের ৬১ থেকে ৮০ নম্বর পর্যন্ত ২০টি প্রশ্নেই নির্দেশনা ভুল ছিল। পরীক্ষার হলে তিনি শিক্ষকদের বিষয়টি জানালেও তাঁরা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে আরেক বন্ধুর ৩ নম্বর সেটে দেখেন, নির্দেশনা ঠিকভাবে আছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাইনুল ইসলাম বলেন, ২ নম্বর সেটের ইংরেজি অংশে অসংখ্য ভুল ছিল। ফলে তাঁরা বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। এক ঘণ্টার পরীক্ষার প্রশ্নে এত ভুল থাকলে ভালো পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। বিশেষ করে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য যেখানে নম্বর কাটা যায়, সেখানে এমন ভুল প্রশ্নপত্র কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
পরীক্ষার্থীরা জানান, ২ নম্বর সেটের ইংরেজির ৭৯ নম্বর প্রশ্নে একটি শব্দের বিপরীত অর্থ চাওয়া হয়েছে। কিন্তু উত্তরে সেখানে কোনো বিপরীত শব্দ ছিল না। চারটি উত্তরই ছিল সমার্থক। ৬৬, ৬৭ ও ৬৮ নম্বর প্রশ্নে বাচ্য (ভয়েস) পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ৬৭ ও ৬৮ নম্বর প্রশ্নে বাচ্য পরিবর্তনের কোনো প্রশ্নই ছিল না। ৬৯ ও ৭০ নম্বর প্রশ্নে বাগধারার (ইডিয়ম) সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়েছে। কিন্তু ৭০ নম্বর প্রশ্নে কোনো বাগধারা ছিল না।
২ নম্বর সেটের ৭১, ৭২ ও ৭৩ নম্বর প্রশ্নে ব্যাকরণগত ভুল খুঁজে বের করতে বলা হয়। কিন্তু ৭২ ও ৭৩ নম্বর প্রশ্নে শূন্যস্থান পূরণ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ জ্ঞান অংশে ‘রেডক্রস কবে প্রতিষ্ঠিত হয়’ বলে একটি প্রশ্ন ছিল। প্রার্থীদের অভিযোগ, এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে ১৮৬৩। কিন্তু প্রশ্নে সঠিক উত্তর ছিল না।
পরীক্ষার্থী এস এম রকিবুজ্জামান বলেন, ইংরেজি প্রশ্নে এক জায়গার নির্দেশনা অন্য জায়গায় চলে গেছে। ফলে প্রার্থীরা বিভ্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া সেটভেদে ইংরেজির প্রশ্নপত্রও ভিন্ন হয়েছে। ১ নম্বর সেটে ইংরেজির ২১ ও ২২ নম্বর প্রশ্নের সমার্থক শব্দ চাওয়া হয়েছে। অথচ ২ নম্বর সেটে একই প্রশ্নের বিপরীত শব্দ চাওয়া হয়েছে। কিন্তু উত্তর দেওয়া হয়েছে সমার্থকের। একইভাবে ১ নম্বর সেটে ২৩ ও ২৪ নম্বর প্রশ্নের বিপরীত শব্দ চাওয়া হয়েছে। অথচ ওই একই প্রশ্নের সমার্থক শব্দ চাওয়া হয়েছে অন্য সেটে। উত্তর আবার একই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র রাকিব আহমেদ ও নাজমুল আলম বলেন, প্রশ্নে ভুল থাকায় তাঁরা সঠিক উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিভ্রান্ত হন। ফলে অন্য অংশে মনোযোগ দিতে পারেননি। একই মন্তব্য করেছেন রাজশাহীর প্রার্থী আসিফ আহমেদ।
৩০তম বিসিএসে অংশ নেওয়া অসংখ্য প্রার্থী গতকাল রাতে প্রথম আলোর কার্যালয়ে টেলিফোন করে তাঁদের উদ্বেগের কথা জানান। পরীক্ষার্থী কামরুল হাসান, তারাজুল ইসলামসহ কয়েকজন বলেন, ‘বিসিএসের মতো একটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে এত ভুল কীভাবে হয়? প্রশ্নপত্র প্রণয়নের পর কেউ কি তা দেখেননি? এই ভুলের দায় কে নেবে?’
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (বিপিএসসি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছার উদ্দিন বলেন, পরীক্ষা চলাকালে কয়েকটি কেন্দ্র থেকে দু-একটি ভুলের ব্যাপারে তাঁদের জানানো হয়। তাঁরা এ ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সমাধান দিয়ে দেন। তবে এত ভুলের কথা তাঁদের জানা ছিল না। আদৌ সেগুলো ভুল কি না, রোববার কমিশনে তা জানানো হবে।
পিএসসির চেয়ারম্যান সা’দত হুসেইন বলেন, ‘অনেক বড় বড় মানুষ প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও যাচাই করেছেন। আমি আগে প্রশ্নপত্র দেখিনি। কাজেই এ বিষয়ে বলা সম্ভব নয়।’ সমাধান কী হবে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান বলেন, অতীতেও দু-একটি ভুল হয়েছে। ১০০ নম্বরের প্রশ্নে দুটি ভুল থাকলে সে ক্ষেত্রে ৯৮ নম্বর ধরে একজন প্রার্থী যা পেয়েছেন, সেটিকে ১০০-তে উন্নীত করা হয়েছে। এবারও প্রার্থীদের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, তা বিবেচনায় রেখে সমাধান বের করা হবে। কাল রোববার কমিশনের সব সদস্যকে নিয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
চলতি বছরের ৯ মার্চ ৩০তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এবার সাধারণ ক্যাডারে ৮৩১টি, প্রফেশনাল ক্যাডারে এক হাজার ৬৮৫টি এবং বিষয়ভিত্তিক ক্যাডারে ৫৬টি পদ রয়েছে। প্রায় দেড় লাখ পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেন।
Prothom Alo


